টনসিল কেন হয় , টনসিল হলে কি করনীয়?

 

টনসিল কি ?
জিহ্বার শেষপ্রান্তে, আলজিহ্বার নীচে বাম ও ডানপাশে বাদামের মতন ১.৫ সেন্টিমিটারের মত আকারে লালবর্ণের মাংসপিন্ডকে টনসিল (Tonsil) বলা হয়ে থাকে। টনসিল দেখতে মাংসপিণ্ডের মতো মনে হলেও এটি লসিকা কলা বা লিম্ফয়েড টিস্যু দিয়ে তৈরি। মুখগহ্বরের দু’পাশে দুটি টনসিলের অবস্থান । মুখ, গলা, নাক কিংবা সাইনাস হয়ে রোগজীবাণু অন্ত্রে বা পেটে ঢুকতে বাধা দেয় এই টনসিল অর্থাৎ টনসিল শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। ( তারপর ও আছে আর ৩২৮ টি গ্রন্থি )
টনসিলাইটিস ( Tonsillitis)
আর টন্সিলাইটিস হচ্ছে টনসিল সমূহ যখন ব্যাকটেরিয়া , ভাইরাস বা ছত্রাকের সংক্রমণ দ্বারা আক্রান্ত হয়ে প্রদাহের বা ইনফেকশনের সৃষ্টি করে ভিন্ন সমস্যা দেখা দেয় । জন্ম থেকেই গলার মধ্যে এই টনসিল থাকে এবং বাচ্চাদের বেলায় টনসিল আকারে বড় দেখা যায় পর্যায় ক্রমে ( ৫-৬ বছর বয়সের মধ্যে এটি সবচেয়ে বেশি বড় আকৃতিতে পৌঁছায় ) , বয়স বাড়ার সাথে সাথে টনসিল ক্রমান্বয়ে ছোট হতে থাকে। টনসিলের প্রদাহ বেশির ভাগ বর্ষায় বেশি হয় । শীত কালে ও টনসিল প্রদাহ হলে ও খুভ কম এবং ৮৫% ভাইরাস সংক্রামণ জাতীয় । ( যাদের শরীরে ইমিউনিটি শক্তি কম বা ঠাণ্ডা সহ্য ক্ষমতা কম তাদের বেলায় ভাইরাস সমূহ বেশি আক্রান্ত করে — রিসার্চ অনুসারে )
Tonsillitis ?
Tonsillitis simply refers to the inflammation of tonsils usually caused by a viral infection or rarely due to bacterial infection. Tonsillitis caused by a viral infection may be contagious depending on whether or not the individual has been previously exposed to that particular virus. For example, mononucleosis, a viral cause of sore throat, is contagious when an individual is first time exposed to the virus. It is a common assumption that only children suffer from tonsillitis. But, that’s not true. The reason why tonsillitis is more commonly seen in children is because their immune mechanism is not fully developed as in adults. This makes them more vulnerable to infections. Curing tonsillitis once during childhood does not mean that it cannot occur again. Poor hygiene and weak immune system alone can be good opportunities for bacteria and viruses to colonize the tonsils.
টন্সিলাইটিসের প্রধান কারন দুটি —
• ভাইরাল টনসিল (Tonsilitis টাইপ)ঃ- ৮০% বেলায় ভাইরাস দ্বারাই প্রথমে আক্রান্ত হয়ে থাকেন বিশেষ করে সর্দি-কাশির জন্য দায়ী ভাইরাসগুলোই এই কাজটি করে থাকে এবং ভাইরাস আক্রমণ জনিত টন্সিলাইটিস থেকে মুক্তি পাওয়া খুভ কস্টকর – যে সকল ভাইরাসের আক্রমে হতে পারে — তার মধ্যে এডিনো-ভাইরাস ও ইনফ্লোয়েঞ্জা ভাইরাস ৭৫% ক্ষেত্রে দায়ি – অনেক সময় ভাইরালের সাথে ফাঙ্গাই ও যোক্ত হতে দেখা যায় ।
• ব্যাকটেরিয়াল টনসিল (Tonsilitis টাইপ) ঃ- সাধারণত হেমোলা স্ট্রেপটোকক্কাস বেক্টোরিয়ার আক্রমণে বেশি হয় , এর পর স্ট্যাফাইলো নিউমোকক্কাই কে দায়ি করা হয় ।
কাদের বেশি হয় ঃ
বাচ্চাদের বেলায় ৩০% বেশি হয় ( ৪/৬ বছরের বাচ্চা দের ) আবার ১ বছরের নিচের বাচ্চাদের খুভ কম হয় কারন তাদের দুটি টনসিল খুভ ছোট ও সংকোচিত থাকে সে জন্য বা যাদের পুষ্টির অভাব,আইসক্রিম, ফ্রিজে রাখা শীতল পানি বেশি পান করা । স্যাঁতসেঁতে স্থানে বাস করলে, আবহাওয়ার পরিবর্তনে শীতের প্রকোপ বেশি হলে, রোদ থেকে এসে ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান করলে, গরমে ঘাম বসে গেলে টনসিলের প্রদাহ বেড়ে যেতে পারে। এলার্জি জনিত অসুখ , দাঁত, নাক ও সাইনাসের প্রদাহ এবং ঠান্ডার প্রতি অতিসংবেদনশীলতা এই রোগ সৃষ্টিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে
Tonsillitis Causesঃ –
Bacterial and viral infections can cause tonsillitis. A common cause is Streptococcus (strep) bacteria. Other common causes include:Adenoviruses–Influenza virus– Epstein-Barr virus- Parainfluenza viruses– Enteroviruses–Herpes simplex virus
Bacterial tonsillitis can be caused by Streptococcus pyogenes,the organism that causes strep throat. If left untreated, strep throat may lead to a more serious condition called rheumatic fever, which can affect the heart several years later.
Whether viral or bacterial, tonsillitis is transmitted most commonly from one person to another by social contact such as droplets in the air from sneezing. Most of the time, tonsillitis is caused by a viral infection. Only about 30% of tonsillitis in children is caused by strep throat.Only 10% of tonsillitis in adults is caused by strep throat.
টনসিলাইটিস সাধারণত দুই ধরনের হয়। একটা হলো তীব্র বা একিউট। আর অন্যটি হলো দীর্ঘমেয়াদি বা ক্রনিক টনসিলাইটিস ।
লক্ষণ ঃ–
টনসিলের ইনফেকশন হলে মূলত গলা ব্যথা হবে, গিলতে অসুবিধা হবে। শরীরে সামান্য জ্বর থাকবে ( জ্বরের মাত্রা ৩৯ সেলসিয়াস =১০৩ ফারেনহাইট = অথবা এর বেশীও হতে পারে ) । অনেক সময় গলার স্বর পরিবর্তিত হয়, নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ থাকে। সঙ্গে শিশুর খাবার গ্রহণে অনীহা কিংবা নাক দিয়ে পানি ঝরা ইত্যাদি থাকতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে গলার বাইরে দিকে গ্রন্থি ফুলে যেতেও দেখা যায়।
ভাইরাসজনিত টনসিলাইটিসে টনসিলের প্রদাহ ধীরে ধীরে বাড়ে, ফলে উপসর্গগুলোও ধীরে ধীরে আবির্ভূত হয়। অন্যদিকে ব্যাকটেরিয়াজনিত টনসিলাইটিস হঠাৎ করেই তীব্রভাবে আক্রমণ করে। ফলে উপসর্গ সমূহ এবং -গলাব্যথা , ব্যাদনা জ্বালা পোড়া ইত্যাদি হঠাৎ করেই দেখা দেয়।
শিশুদের বেলায় বমি, পেটে ব্যথা বড়দের বেলায় মাথাব্যথাও থাকতে পারে। ৫ বছরের কম বয়েসীদের বেলায় ডাইরিয়া সহ খাওয়া দাওয়ায় অরুচির লক্ষণ পাওয়া যায় সেই সাথে সকলের ই কম বেশি কাশিও হতে পারে।
অ্যাকিউট টনসিলাইটিসের লক্ষণঃ ঠাণ্ডা- সর্দি, অত্যধিক জ্বর বা জ্বরের সাথে কাঁপুনি ,গলাব্যথা খুসখুসে কাশি,খাবার গিলতে বা পানি পান করতে ব্যাথা , নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা,মুখের ভেতরে টনসিল বেশ লালচে বর্ণ ধারণ করে , টনসিলের ওপর হলুদ বা সাদা আস্তরণ পড়তে পারে, গলার ভেতর এর আশপাশের অন্যান্য লসিকাগ্রন্থিও ফুলে যাওয়া অথবা গলায় ও মাড়িতে ব্যাথা ইত্যাদি।
ক্রনিক টনসিলাইটিসের লক্ষণঃ জিনিসের গন্ধ পাওয়া যায় না, জোর করে ঘ্রাণ নিতে গেলে সবকিছুতেই বাজে গন্ধ পাওয়া যায়।, ঘুমাতে খুব অসুবিধা হয়। শিশু ঘুমাতে ভয় পায় , নাক ডাকার সমস্যা হতে পারে , অনেক সময় বাচ্চার ঘুমের ধরন পাল্টে যায়। থুতনি এগিয়ে আসে , মাথাব্যথা, গলায় ঘায়ের কারণে ব্যথা, কানে ব্যথা, ক্লান্তিময়তা, মুখে অনবরত লালা জমতে থাকে, খাবার খেতে কষ্ট ও মুখ হাঁ করতে অসুবিধা হয় , মুখ দিয়ে লালা বের হয় ও কণ্ঠস্বর ভারী হয়ে যেতে পারে, মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হতে পারে।
Symptoms of tonsillitis include :
Sore throat, Difficulty feeding (in babies), Pain with swallowing, Fever, Headache, Abdominal pain,Nausea and vomiting্ Cough, Hoarseness, Runny nose,Redness of the tonsils and throat, Tenderness in the glands of the neck (swollen lymph glands), White patches on the tonsils,Redness of the eyes, Ear pain (caused by nerves that go to the back of the throat also go to the ear) Change in voice, such as muffled speech or “hot potato” voice (speaking as if a hot object is being held in the mouth), Difficulty breathing
Tonsillitis can develop into more serious medical conditions in some people. Anyone with tonsillitis who is drooling, unable to eat or drink, or has any breathing difficulty needs to go to a hospital’s Emergency Department immediately for evaluation.
Sometimes the tonsils may swell or form a peritonsillar abscess resulting in intermittent blockage of the feeding and breathing pathways. If the affected person may have difficulty breathing or eating, they should seek medical care.
রোগ শনাক্ত / রোগ নির্ণয়ঃ
টাং ডিপ্রেসর ( মুখ খোলার এক ধরণের ফরসেপ বিশেষ ) দিয়ে জিবকে চেপে ধরে ভেতরে প্রদাহ আছে কি না দেখে বোঝা সহজ যে টনসিলাইটিস হয়েছে। প্রদাহেরকারণে টনসিল বড় ও লালাভ হয়ে থাকে। টনসিলের উপর হলুদাভ বা ধুসর আবরণে টনসিল আংশিকভাবে আবৃত থাকে। টনসিলাইটিস নির্ণয়ে বিশেষজ্ঞের এই পর্যবেক্ষণই যথেষ্ট। তারপর ও নিম্নের দুটি পরীক্ষার দ্বারা নিশ্চিত হতে পারেন আপনার কোন ধরণের টন্সিলাইটিস হয়েছে । ( ভাইরাস জনিত হলে ভাইয়াস সেন্সিটিভিটি কালচার করাতে পারলে বুজে নিতে পারবেন কোন ধরণের ভাইরাস আক্রমের জন্য বেশি দায়ি )
rapid strep test ( এ পরীক্ষার দ্বারা গলার ভিতরের ইনফেকশনের উপরের ঝিল্লির মিউকাস পরীক্ষা করে মাত্র ৭ মিনিটে নিশ্চিত হওয়া যায় ইহা স্ট্রেপটোকোকাস ব্যাক্টোরিয়ার দ্বারা আক্রান্ত কিনা -)
strep culture ( পরীক্ষাগারে স্ট্রেপটোকোকাস কালচার করা কে বলা হয় – মনে রাখবেন এই সব পরীক্ষার আগে কোন জাতীয় এন্টিসেপটিক মাউথ ওয়াস ব্যাবহার করা নিষেধ )
এ ছাড়া ও যদি মনে হয় গলার কাছে কিছু আটকে থাকছে, সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, গলার আলট্রাসোনোগ্রাফি করে দেখা ভাল সেই সাথে আপনার চিকিৎসক অন্য ধরণের জটিলতা বুঝতে রক্তের হিমোগ্লোবিন, টিসি, ডিসি, ইএসআর ও প্রয়োজনে এসও টাইটার পরীক্ষা করার কথা বলতে পারেন বা ডায়াবেটিস থাকলে সঙ্গে ব্লাড সুগার টেস্ট এবং ডিএসএইচ পরীক্ষা করার কথা বলতে পারেন ।
( বি দ্রঃ টিবি সন্দেহ হলে বুকের এক্সরে, রক্তের টিবি পিসিআর ও কফ কালচার ফর এএফবি করালে সাথে সাথে ধরা পড়বেই এবং টিউমার বা ক্যানসার জাতীয় কিছুর সন্দেহ হলে জিআই এন্ডোস্কোপি ও ফাইবার অপটিক ল্যারিঙ্গোস্কোপি করে অথবা প্রয়োজনে টিউমার থেকে টিস্যু তুলে তার বায়োপ্সি করে রোগ নির্ণয় নিশ্চিত হতে পারেন আপনার চিকিৎসক )
Exams and Tests ঃ -
Your health care provider will look in the mouth and throat.
The tonsils may be red and may have white spots on them.
The lymph nodes in the jaw and neck may be swollen and tender to the touch.
rapid strep test ( The test requires a throat swab. It takes about 7 minutes. The swab is tested to identify group A streptococcus, the cause of strep throat.
strep culture ( A throat swab culture is a laboratory test done to identify germs that may cause infection in the throat. It is most often used to diagnose strep throat.–Do not use antiseptic mouthwashes before the test.)
টনসিলাইটিসের চিকিৎসা দুই ভাবে করা যায় _
১. ওষুধ সেবন
২. অপারেশন –
টনসিলের চিকিৎসা নির্ভর করে কারণের ওপর। যদি ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়ে থাকে তাহলে ভাল চিকিৎসকের পরামর্ষে একটু উন্নত অ্যান্টিবায়োটিক ( এমোক্সিসিলিন, সিফিউরোক্সাইম বা আর উন্নত গ্রোফের ঔষধ ) ঔষধ সঠিক নিয়মে সেবন করলে মাত্র ৭ দিনে ১০০% নিশ্চিত ভাবেই বলা যায় টনসিলের প্রদাহ ভাল হয়ে যাবে ।
( এখানে একটা বিষয় মনে রাখবেন বর্তমানে আধুনিক চিকিৎসায় অনেক উন্নত ধরণের এন্টীবায়োটিক আছে যার সঠিক সিঙ্গেল ডোজেই ভাল হয়ে যাওয়ার কথা কিন্তু তা না করে যদি নিজের ইচ্ছা মত ২/৪ টা ক্যাপস্যুল বড়ি খেয়ে ভাল হয়ে জান এবং ইহা আবার পুনরায় আক্রমণ করে এবং সে সময় ও এই রকম করেন ৯৫% বেলায় পরবর্তীতে অপারেশন করানো ছাড়া আর বিকল্প কোন পথ নেই – তাই ব্যাক্টোরিয়ার কারণে ইনফেকশন মনে করলে সম্পূর্ণ ডোজ সেবন করার অনুরোধ রইল )
সেই সাথে মাউথ ওয়াশ দিয়ে ( ওরোক্লিন ) কুলি করলে বেশ ভাল হবে বা নরমাল স্যালাইন (ওয়াটার গার্গেল) গরম পানি দিয়ে গড়গড়া কুলি করা উচিৎ । জ্বর থাকলে এনালজেসিক ( প্যারাসিটামল ইত্যাদি ) ঔষধ খেতে পারেন । সর্দি কাশি থাকলে এন্টিহিস্টামিন ও কিছুটা সহায়ক তবে ডাইলেটর জাতীয় ঔষধ ( ভেল্টলিন ) সেবন করতে হলে চিকিৎসকের পরামর্ষে নিবেন কিন্তু ভাইরাল সঙ্ক্রামনে হলে এন্টিবায়োটিক সেবন কোন কাজে আসবে বলে মনে হয়না — ইত্যাদি ——-
Treatments for Tonsillitis
Viral caused tonsillitis is often contagious for about 7–10 days while untreated bacterial caused disease may be contagious for about 2 weeks.
However, bacterial caused tonsillitis can be treated with antibiotics and the patient usually is not contagious 24–48 hours after starting antibiotics.
Get enough rest–Drink warm or very cold fluids to ease throat pain–Eat smooth foods, such as flavored gelatins, – Use a cool-mist vaporizer or humidifier in your room–Gargle with warm salt water– Suck on lozenges containing benzocaine or other anesthetics–Take over-the-counter pain relievers such as acetaminophen or ibuprofen.
Treatment for tonsillitis will depend in part on the cause. To determine the cause, your doctor may perform a rapid strep test or throat swab culture. Both tests involve gently swabbing the back of the throat close to the tonsils with a cotton swab. A lab test can detect a bacterial infection. A viral infection will not show on the test, but may be assumed if the test for bacteria is negative.
Most cases of tonsillitis go away within 7-10 days. When treated with penicillin, strep throat can be cured about 90% of the time with a single course of antibiotics. However, some people may develop rheumatoid arthritis from bacterial-caused tonsillitis and thus may have only a fair prognosis.
If tests reveal bacteria, treatment will consist of antibiotics to cure the infection. Antibiotics may be given as a single shot or taken 10 days by mouth. Although symptoms will likely improve within two or three days after starting the antibiotic, it’s important to take all of the medication your doctor prescribes to make sure the bacteria are gone. Some people need to take a second course of antibiotics to cure the infection.
If the tonsillitis is caused by a virus, antibiotics won’t work and your body will fight off the infection on its own. In the meantime, there are things you can do to feel better, regardless of the cause.
ভাইরাস জনিত ঃ-
প্রথম প্রথম ভাইরাসের জন্য টন্সিলাইটিস হলে পাঁচ-সাত দিনের মধ্যে এমনিতেই সেরে যায়, সেক্ষেত্রে উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসা করাতে হয় – তবে ভাইরাস জনিত টনসিলের প্রদাহে অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো ভূমিকা নেই বিধায় কাজ করবেনা – সে জন্য আক্রান্ত ভাইরাস থেকে কিভাবে মুক্ত হওয়া যায় সেই ব্যাবস্থা করা ভাল – যদি ও ভাইরাস নির্মূল করা যাবেনা তারপর ও ভাইরাসে আক্রানের কারন খুজে বের করে তা থেকে বিরত থাকলে ন্যাচারেলি উপশম হয়ে যায় – সে সময় কিছুটা ফল পাওয়া যায় ভেষজ কিছু ঔষধির মাধ্যমে – তবে খেয়াল রাখবেন অপ্রমাণিত ভেষজের চিকিৎসা করতে গিয়ে যেন আবার মারাত্মক ইনফেকশনের স্বীকার না হন-
প্রথম সর্ত গলায় ঠাণ্ডা লাগাবেন না বা আইস্ক্রিম জাতীয় খাদ্য থেকে সাবধান থাকতে হবে ( যদিও আইসক্রিম টনসিলের প্রদাহের জন্য সরাসরি দায়ি নয় কিন্তু ভাইরাস জনিত প্রদাহে ভাইরাস্র আক্রমণ বাড়িয়ে দেয় ইহা সত্য )
সাধারণ স্যালাইন বা লবণ মিশ্রিত গরম পানি দিয়ে বারবার কুলি করতে হবে। লেবু বা আদা চাও খেতে পারেন তবে চিনি জাতীয় পদাথ থেকে কিছুটা দূরে থাকাই ভাল –
তারপর ও নিচে কয়েকটি সহায়ক ভেষজের উপকারিতা তুলে ধরলামঃ
জাম্বুরার বীজ ( grapefruit seed ) বা ঐ জাতীয় স্প্রে, ট্যাবলেট অথবা লজেন্স চুষে খেলে ভাইরাস কিছুটা প্রতিরোধ করে , শরীরের ইমিউনিটি শক্তিকে বৃদ্ধি করতে ( antioxidan ) সহায়ক বিধায় উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ভিটামিন সি খেতে পারেন । অন্ত্রের ব্যাক্টোরিয়া জনিত অসুবিধা থাকলে ফ্রেস দই বেশ ভাল অথবা Lactobacillus acidophilus complex খেতে পারেন ।
The invading bacterial and viral agents in the tonsils can be cleared and eliminated by the use of grapefruit seed extract in spray form; this spray is directly used on the tonsils and bring relief from the condition. The antibiotic properties of the seed extract of the grapefruit plant can also be fully utilized through the consumption of tablets or capsules of the extract as internal medication.. High doses of the vitamin C are recommended for effective treatment of cases of tonsillitis,
মেন্থার গরম পানিতে মিশিয়ে কুলি করতে পারেন প্রতিদিন ৩/৪ বার – ইহা ও ভাইরাস নাশক – কলমি শাকের নির্যাস কিছুটা উপকারী , যা এন্টি ভাইরাল হিসাবে কাজ করে – সে জন্য কলমি শালুকের নির্যাস সামান্য গরম পানিতে মিশিয়ে প্রতিদিন ২/৩ বার করে খেতে পারেন এবং ব্যাথা ও ফাঙ্গাস জাতীয় জীবাণু তে থাইম বা গুল্মের নির্যাস বেশ ভাল ফল উপকারী । শঙ্কু ফুল বা ভিন্ন ধরণের ভেষজ চা ও বেশ উপকারী যা ভাইরাস নাশক হিসাবে কাজ করে –
nasturtium ( Water Cress) which has an antibiotic property, added to this should be a tbsp. thyme which can provide strength to the body and boost recovery time of the patient, anti-inflammatory action is provided by the addition of a tbsp.
কাঁচা রসুনের নির্যাশ যদিও এন্টিমাইক্রোবিয়েল কিন্তু ইহা খুভি প্রকট বিধায় গারলিক ক্যাপস্যুল খেতে পারেন ৩ বার প্রতিদিন অথবা গারলিক নির্যাশ গরম পানিতে মিশিয়ে মুখের ভিতর কিছু সময় রেখে কুলিকুচা করতে পারেন প্রতিদিন ৩ বার —
The anti microbial and bactericidal effect of the humble garlic is very effective in treating infections. The problem with the use of raw garlic is the strong odor; the capsule form is equally effective in its properties and is odorless at the same time. Use the garlic capsules, about three capsules thrice everyday during the treatment period
.
অথবা পুরাতন আমলের কিছু ভেষজ ঔষধ সামান্য সহায়ক হতে পারে ভাইরাস জাতীয় জিবানুতে – ৪ চামচ মধু এবং চিমটি লবন ও ১ চামচ লেবুর নির্যাশ সামান্য উষ্ণ গরম পানিতে মিশিয়ে প্রতিদিন ৩ বার – ক্যামোমিল চা ও সাময়িক উপশম কারি হিসাবে বিবেচিত –
ব্যাথা নাশক হিসাবে ডুমুর কে বয়েল করে পেইস্ট করে তা গলার বাহিরের দিকে প্রলেপ দিলে কিছুটা ব্যাথা উপশম হয় –
মেথি বীজ ঃ- গ্রন্থি প্রদাহ চিকিৎসায় চমৎকার ভেষজ এবং ইহা কুলকুচার জন্য বেস কার্যকর . এটা গ্রন্থির প্রদাহ জন্য দায়ীব্যাকটেরিয়া নস্ট করার গুন আছে , মেথি গ্রন্থির প্রদাহ এর গুরুতর ক্ষেত্রে কার্যকর হয়েছে. ( প্রমাণিত )
A very old and traditional remedy for tonsillitis is adding 4 teaspoons of honey, 1/8th teaspoon of salt and freshly squeezed lemon juice to a glass of warm water. This liquid should be prepared and consumed a few times during the day. Boil milk and 2 tulsi leaves and add to it a pinch of turmeric. Sip the hot milk for relief.
Fenugreek Seeds ঃ Fenugreek is the base for a gargle that is excellent at treating tonsillitis. Fenugreek is naturally antibacterial, so it can kill the bacteria responsible for tonsillitis. Fenugreek has even been effective in severe cases of tonsillitis.
কখন মনে করবেন আপনার টন্সিলাইটিসের জন্য অপারেশন দরকার ?
সব কিছুর পর অনুরুধ থাকবে ব্যাক্টোরিয়া জনিত হলে দেখবেন এন্টিবায়োটিক ঔষধ সেবন করার পর চলে গেছে – অথবা ভাইরাস জনিত হলে ২/৩ সপ্তাহের ভিতর অসুখ টি সেরে যাওয়ার কথা — তারপর ও যদি না কমে এবং নিচের লক্ষণ সমূহ দেখা দেয় তা হলে অপারেশন করা বেশ উত্তম বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা –এ ছাড়া কার ও বেলায় অসুখ টি কমে যাওয়ার পর ও টনসিল দুটি ছোট হতে কিছু সময় লাগে বিদায় যদি ব্যাথা না থাকে তা হলে ভয় পাওয়ার মত কিছু নেই ।
ক্রনিক টনসিলাইটিসের ক্ষেত্রে সাধারণত পরপর তিন বছরের ভিতরে প্রতি বছর চার বার এবং ৫ দিনের বেশি সমস্যা থাকে ( শিশুদের বেলায় বয়স ১৫-১৬ পার হলে টনসিল সমস্যা আর অনেক সময় থাকেনা ) – টনসিল বড় হয়ে শ্বাসনালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার মত অনুভব করলে এবং নিঃশ্বাস নিতে অসুবিধা হলে।- টনসিলে যদি ফোঁড়া হয়, অর্থাৎ ইনফেকশন হলে।— বাতজ্বর ( রিউমেটিক ফিভার ) হওয়ার সম্বাভনা থাকলে – গলার অন্যান্য স্থানে পেরিটনসিলার এবসিস – বারবার টনসিলের ইনফেকশনের কারণে টনসিলের আশেপাশের এলাকা বিশেষ করে ঊর্ধ্বশ্বাস নালি, গলবিল, সাইনাস, মধ্যকর্ণ ইত্যাদিতে ইনফেকশন ক্রমশ বাড়তে থাকলে — আর দেরি করা উচিৎ হবেনা — তখন অনেকেই আর ভিন্ন পদ্ধতির চিকিৎসা করে অসুখ টিকে কোন কোন সময় ভিন্ন মারাত্মক পর্যায়ে নিয়ে যান তখন শেষ মেষ খুভ বড় ধরণের ক্ষতি হবেই অথবা স্থায়ী অবস্থায় গলার যে কোন অঙ্গের বিকলাঙ্গতা জাতীয় সমস্যা দেখা দেওয়া অসম্বভ কিছু নয় ।
When Tonsillectomy Is Needed
Tonsils are an important part of the immune system throughout life, so it is best to avoid removing them. However, if tonsillitis is recurrent or persistent, or if enlarged tonsils cause upper airway obstruction or difficulty eating, surgical removal of the tonsils, called tonsillectomy, may be necessary. Most tonsillectomies involve using a conventional scalpel to remove the tonsils; however there are many alternatives to this traditional method. Increasingly doctors are using techniques such as lasers, radio waves, ultrasonic energy, or electrocautery to cut, burn, or evaporate away enlarged tonsils.
অপারেশন Tonsillectomy ঃ -
( আমাদের বেশ কিছু ভুল ধারনা ও ভয় আছে টনসিল অপারেশন নিয়ে তাই জানা দরকার বিধায় কিছুটা বিশেষজ্ঞ ( ই এন টি সার্জারি ) পরামর্ষ তুলে ধরলাম – তার পর বলব আমরা ভাগ্যবান বর্তমানে বিজ্ঞানের অগ্রগতির কারণে, এখন Tonsillectomy operation এখন করা হয় না বললেই চলে। নতুন নতুন এ্যান্টিবায়োটিক এই অপারেশনে বাধা হয়ে দাড়িয়েছে।
( সংগৃহীত ) টনসিলের কাজ হচ্ছে শরীরে রোগ প্রতিরোধ করা। এখন যদি টনসিল ফেলে দেয়া হয় তাহতাহলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাবে বলে অনেকে মনে করেন – এই কথাটি আসলে ঠিক নয়। কারণ এরপরও গলায় ৩০০-এর বেশি গ্ল্যান্ড আছে যারা এই কাজ করে। অর্থাৎ দুটো টনসিল ফেলে দিলে বাকি ৩০০-এর বেশি গ্ল্যান্ড থেকেই যাচ্ছে , তাহারাই রোগ প্রতিরোধ করবে । অনেক স্টাডি ও গবেষণায় দেখা গেছে, টনসিল অপারেশন করার আগে ও পরে রোগ প্রতিরোধে কোনো তারতম্য হয় না ।
প্রায় মানুষের ধারণা, টনসিল অপারেশনের পর গলার স্বর স্বাভাবিক থাকে না। অপারেশনের পর কণ্ঠস্বরের পূর্বের মান বজায় থাকবে না। কিন্তু এই ধারণাটি ঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে টনসিল অপারেশনের কারণে গলার স্বর নষ্ট হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যেহেতু স্বাভাবিক কণ্ঠস্বর সৃষ্টিতে টনসিলের তেমন কোনো ভূমিকা নেই, তাই এটি ফেলে দিলে তা কণ্ঠস্বরের ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না। বরং টনসিল অনেক বড় হওয়ার কারণে গলার স্বরের কিছুটা নেতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়। অপারেশন করলে কণ্ঠস্বরের সেই অস্বাভাবিকতা দূর হয়ে কণ্ঠস্বর স্বাভাবিক হয়ে যায়। স্বরের এই পরিবর্তনকে কখনও কণ্ঠস্বর নষ্ট হয়েছে বলা যায় না। একইভাবে গলার মধ্যে বিশাল আকৃতির টনসিল থাকার জন্য ফ্যাসফ্যাসে কণ্ঠস্বরকেও নিশ্চয়ই কাঙ্ক্ষিত স্বাভাবিক কণ্ঠস্বর বা নরমাল ভয়েস বলা মেনে নেওয়া যাবে না। বিশাল আকৃতির টনসিল ফেলে দেওয়ার পর গলার মধ্যে এক ধরনের শূন্যতা সৃষ্টি হয়। যাদের গলার মধ্যে বড় টনসিলের সমস্যা নেই তাদের গলার মধ্যে এই ধরনের শূন্যতা এমনিতেই থাকে। বড় টনসিল অপারেশনের পর গলার মধ্যকার কাঙ্ক্ষিত স্বাভাবিক চিত্রটিই পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। আর টনসিলের সাধারণ ইনফেকশনজনিত কারণে টনসিল ফেলে দেওয়ার ঘটনায় গলার মধ্যে বিশেষ কোনো অস্বাভাবিকতা সৃষ্টির অবকাশ নেই।
টনসিল কেটে ফেলার কিছু পদ্ধতি – অনেক ধরণের পদ্ধতি আছে (ডিসেকশন মেথড – Cold steel surgery – Coblation (or cold ablation) — Lasers – Ultrasound ) এর মধ্যে ডিসেকশন মেথড পদ্ধতিতে ল্যাজার দিয়ে করা হয় এবং ইহা ৯৯% নিরাপদ বলে মনে করেন সার্জনরা , কেননা এতে রক্তপাত হওয়ার সম্বাভনা নাই বা সেলাই জাতীয় কিছু করা ও লাগেনা – বিশেষ করে ডিসেকশন মেথডের অপারেশনের রোগী একদিন পর ই হাস্পাতাল থেকে চলে যেতে পারেন এবং ৭২ ঘন্টার ভিতরেই সুস্থ হয়ে যান তবে খরছ একটু বেশি হতে পারে অন্যান্য পদ্ধতির চাইতে –
operation can be carried out in a number of ways as described below .
Cold steel surgery – this is the most common method, where a surgical blade is used to cut the tonsils out. Bleeding is controlled by applying pressure or the blood vessels may be sealed using heat generated by diathermy.
Diathermy – a diathermy probe is used to destroy the tissue around the tonsils and to remove the tonsils. At the same time, the heat seals the blood vessels to stop any bleeding.
Coblation (or cold ablation) – this method works in a similar way to diathermy but uses a lower temperature (60C). It’s considered less painful than diathermy.
Lasers – high energy laser beams are used to cut away the tonsils and seal the underlying blood vessels shut.
Ultrasound – high energy ultrasound waves are used in a similar way to lasers.
কখন অপারেশন করেন না সার্জনরা – সংগৃহীত কলাম ঃ- ( যারা ভোক্ত ভুগি তাদের জেনে নেওয়া ভাল বিধায় বিশেষজ্ঞদের অনুসরণ করেই তুলে ধরলাম, যদি ও সার্জারি বিষয়ে আমার তেমন অভিজ্ঞতা নাই )
একিউট ইনফেকশন যদি হয়। একিউট ইনফেকশন থাকলে টনসিল অপারেশন করা যাবে না। কারণ তখন ইনফেকশন সারা শরীরে ছড়িয়ে যেতে পারে এবং রক্তপাত বন্ধ নাও হতে পারে। সেজন্য ওই সময়ে করা যাবে না। জ্বর বা ব্যথা থাকা অবস্থায় করা যাবে না। যদি কারো রক্তরোগ থাকে যেমন থ্যালাসেমিয়া। রক্তনালী এবং রক্তরোগ থাকলে টনসিল অপারেশন করা যাবে না। কারণ দেখা গেল তার রক্তরোগ আছে, অপারেশনের পর তার রক্তপাত বন্ধ হচ্ছে না। সেজন্য এটা আগে থেকে স্ক্রিনিং করে নিতে হবে যে, তার রক্তরোগ আছে কিনা। এছাড়া হাই ব্লাডপ্রেসার থাকলে করা যাবে না। এক্ষেত্রে যদি করতেই হয় তাকে ব্লাড প্রেসার কন্ট্রোল করে অপারেশন করতে হবে। এটা খুব সাবধানে করতে হবে। ডায়াবেটিক থাকলেও ডায়াবেটিক কন্ট্রোল করতে হবে, যদি করতেই হয়। তবে এক্ষেত্রে টনসিল অপারেশন না করাই ভালো। অ্যাজমা বা হাঁপানি যদি থাকে সে ক্ষেত্রেও টনসিলে অপারেশন না করা ভালো। টনসিলের অপারেশন করতে অ্যানেসথেসিয়া অর্থাৎ পুরো শরীর অবশ করতে হয়। অ্যাজমার ক্ষেত্রে খুব সাবধানতার সঙ্গে অজ্ঞান করতে হয়। সেজন্য যতটুকু সম্ভব না করাই ভালো। আর অনেক সময় বয়স্ক রোগীদের অর্থাৎ ৪০ বছর পরে তাদের সাধারণত টনসিলের অপারেশন আর লাগে না। যদি থাকে তাহলে দেখেশুনে সাবধানে করতে হয়।
কিভাবে সতর্ক থাকবেন টন্সিলাইটিসে যারা ভোগেন
সাধারণভাবে টনসিলাইটিসে আক্রান্ত হবার কয়েক দিনের মধ্যে রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যায়। তারপরও কিছু সতর্কতা বিশেষতঃ খাদ্যাভাসের কিছুটা পরিবর্তন করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এই অবস্থায় শরীরে পানি শূন্যতা (Dehydration) দেখা দেয়- প্রকটভাবে। সেজন্য প্রচুর পরিমাণে পানি সহ যে কোন পানীয় খাওয়া যেতে পারে। গরম যে কোন পানীয় (অত্যাধিক গরম নয়) যেমন : হালকা গরম চা, চকোলেট পানীয়, কুসুম গরম পানি সাথে মধু, এমন কি ঠান্ডা পানীয় যথা মিল্কসেক (Milk shake) খাওয়া যায়। কোমল পানীয়র মধ্যে আদা পানি (Ginger ale) এসময় উপকারে হয়
তবে কোন এসিড জাতীয় পানি না খাওয়া ভাল : কোক, স্প্রাইট খাওয়া যাবে না। এসিড জাতীয় পানি গলায়- ইনফেকশনে উত্তেজক হিসাবে কাজ করে। এর পাশাপাশি নরম খাবার যথা জাউ ভাত, যে কোন স্যুপ এসময় অনেক উপকার দেয়।
খাওয়া-দাওয়ার পাশাপাশি ঃ- এক কাপ কুসুম গরম পানির সাথে ১/৪ চা চামচ লবন মিশিয়ে গার্গল করলে খুব ভালো ফল পাওয়া যায়। দিনে অন্ততপক্ষে ৩/৪ বার করা উচিত। সাথে প্রচুর বিশ্রাম নিতে হবে।
টনসিলাইটিস হলে বেশি বেশি তরল খাবার ও গরম পানীয় পান করতে হবে। শিশুদের গরম স্যুপ, জাউ বা নরম করে রান্না করা খাবার দিলে ভালো। গলায় ঠান্ডা লাগানো যাবে না।
Tonsillectomy অপারেশনের রোগীর মধ্যে শতকরা ২০ ভাগ রোগী পরোক্ষভাবে সিগারেটের ধোঁয়া হতে আক্রান্ত হয়। তাই ঘরের মধ্যে বাচ্চার সামনে সিগারেট খাওয়া হতে দূরে থাকুন তাহলেই আপনি ও আপনার বাচ্চা দু’জনেই এই রোগের হাত হতে দূরে থাকতে পারবেন।
বিড়াল বা ঐ জাতীয় পোষা প্রাণী ভাইরাস জাতীয় পুরাতন টন্সিলাইটসের বেলায় কিছুটা পরোক্ষ ভাবে প্রভাবিত করে বিধায় শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে যোগাযোগের দূরত্ব বজায় রাখলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাবে বলে অনেকে মনে করেন – এই কথাটি আসলে ঠিক নয়। কারণ এরপরও গলায় ৩০০-এর বেশি গ্ল্যান্ড আছে যারা এই কাজ করে। অর্থাৎ দুটো টনসিল ফেলে দিলে বাকি ৩০০-এর বেশি গ্ল্যান্ড থেকেই যাচ্ছে , তাহারাই রোগ প্রতিরোধ করবে । অনেক স্টাডি ও গবেষণায় দেখা গেছে, টনসিল অপারেশন করার আগে ও পরে রোগ প্রতিরোধে কোনো তারতম্য হয় না ।
প্রায় মানুষের ধারণা, টনসিল অপারেশনের পর গলার স্বর স্বাভাবিক থাকে না। অপারেশনের পর কণ্ঠস্বরের পূর্বের মান বজায় থাকবে না। কিন্তু এই ধারণাটি ঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে টনসিল অপারেশনের কারণে গলার স্বর নষ্ট হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যেহেতু স্বাভাবিক কণ্ঠস্বর সৃষ্টিতে টনসিলের তেমন কোনো ভূমিকা নেই, তাই এটি ফেলে দিলে তা কণ্ঠস্বরের ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না। বরং টনসিল অনেক বড় হওয়ার কারণে গলার স্বরের কিছুটা নেতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়। অপারেশন করলে কণ্ঠস্বরের সেই অস্বাভাবিকতা দূর হয়ে কণ্ঠস্বর স্বাভাবিক হয়ে যায়। স্বরের এই পরিবর্তনকে কখনও কণ্ঠস্বর নষ্ট হয়েছে বলা যায় না। একইভাবে গলার মধ্যে বিশাল আকৃতির টনসিল থাকার জন্য ফ্যাসফ্যাসে কণ্ঠস্বরকেও নিশ্চয়ই কাঙ্ক্ষিত স্বাভাবিক কণ্ঠস্বর বা নরমাল ভয়েস বলা মেনে নেওয়া যাবে না। বিশাল আকৃতির টনসিল ফেলে দেওয়ার পর গলার মধ্যে এক ধরনের শূন্যতা সৃষ্টি হয়। যাদের গলার মধ্যে বড় টনসিলের সমস্যা নেই তাদের গলার মধ্যে এই ধরনের শূন্যতা এমনিতেই থাকে। বড় টনসিল অপারেশনের পর গলার মধ্যকার কাঙ্ক্ষিত স্বাভাবিক চিত্রটিই পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। আর টনসিলের সাধারণ ইনফেকশনজনিত কারণে টনসিল ফেলে দেওয়ার ঘটনায় গলার মধ্যে বিশেষ কোনো অস্বাভাবিকতা সৃষ্টির অবকাশ নেই।
টনসিল কেটে ফেলার কিছু পদ্ধতি – অনেক ধরণের পদ্ধতি আছে (ডিসেকশন মেথড – Cold steel surgery – Coblation (or cold ablation) — Lasers – Ultrasound ) এর মধ্যে ডিসেকশন মেথড পদ্ধতিতে ল্যাজার দিয়ে করা হয় এবং ইহা ৯৯% নিরাপদ বলে মনে করেন সার্জনরা , কেননা এতে রক্তপাত হওয়ার সম্বাভনা নাই বা সেলাই জাতীয় কিছু করা ও লাগেনা – বিশেষ করে ডিসেকশন মেথডের অপারেশনের রোগী একদিন পর ই হাস্পাতাল থেকে চলে যেতে পারেন এবং ৭২ ঘন্টার ভিতরেই সুস্থ হয়ে যান তবে খরছ একটু বেশি হতে পারে অন্যান্য পদ্ধতির চাইতে –
operation can be carried out in a number of ways as described below .
Cold steel surgery – this is the most common method, where a surgical blade is used to cut the tonsils out. Bleeding is controlled by applying pressure or the blood vessels may be sealed using heat generated by diathermy.
Diathermy – a diathermy probe is used to destroy the tissue around the tonsils and to remove the tonsils. At the same time, the heat seals the blood vessels to stop any bleeding.
Coblation (or cold ablation) – this method works in a similar way to diathermy but uses a lower temperature (60C). It’s considered less painful than diathermy.
Lasers – high energy laser beams are used to cut away the tonsils and seal the underlying blood vessels shut.
Ultrasound – high energy ultrasound waves are used in a similar way to lasers.
কখন অপারেশন করেন না সার্জনরা – সংগৃহীত কলাম ঃ- ( যারা ভোক্ত ভুগি তাদের জেনে নেওয়া ভাল বিধায় বিশেষজ্ঞদের অনুসরণ করেই তুলে ধরলাম, যদি ও সার্জারি বিষয়ে আমার তেমন অভিজ্ঞতা নাই )
একিউট ইনফেকশন যদি হয়। একিউট ইনফেকশন থাকলে টনসিল অপারেশন করা যাবে না। কারণ তখন ইনফেকশন সারা শরীরে ছড়িয়ে যেতে পারে এবং রক্তপাত বন্ধ নাও হতে পারে। সেজন্য ওই সময়ে করা যাবে না। জ্বর বা ব্যথা থাকা অবস্থায় করা যাবে না। যদি কারো রক্তরোগ থাকে যেমন থ্যালাসেমিয়া। রক্তনালী এবং রক্তরোগ থাকলে টনসিল অপারেশন করা যাবে না। কারণ দেখা গেল তার রক্তরোগ আছে, অপারেশনের পর তার রক্তপাত বন্ধ হচ্ছে না। সেজন্য এটা আগে থেকে স্ক্রিনিং করে নিতে হবে যে, তার রক্তরোগ আছে কিনা। এছাড়া হাই ব্লাডপ্রেসার থাকলে করা যাবে না। এক্ষেত্রে যদি করতেই হয় তাকে ব্লাড প্রেসার কন্ট্রোল করে অপারেশন করতে হবে। এটা খুব সাবধানে করতে হবে। ডায়াবেটিক থাকলেও ডায়াবেটিক কন্ট্রোল করতে হবে, যদি করতেই হয়। তবে এক্ষেত্রে টনসিল অপারেশন না করাই ভালো। অ্যাজমা বা হাঁপানি যদি থাকে সে ক্ষেত্রেও টনসিলে অপারেশন না করা ভালো। টনসিলের অপারেশন করতে অ্যানেসথেসিয়া অর্থাৎ পুরো শরীর অবশ করতে হয়। অ্যাজমার ক্ষেত্রে খুব সাবধানতার সঙ্গে অজ্ঞান করতে হয়। সেজন্য যতটুকু সম্ভব না করাই ভালো। আর অনেক সময় বয়স্ক রোগীদের অর্থাৎ ৪০ বছর পরে তাদের সাধারণত টনসিলের অপারেশন আর লাগে না। যদি থাকে তাহলে দেখেশুনে সাবধানে করতে হয়।
কিভাবে সতর্ক থাকবেন টন্সিলাইটিসে যারা ভোগেন
সাধারণভাবে টনসিলাইটিসে আক্রান্ত হবার কয়েক দিনের মধ্যে রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যায়। তারপরও কিছু সতর্কতা বিশেষতঃ খাদ্যাভাসের কিছুটা পরিবর্তন করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এই অবস্থায় শরীরে পানি শূন্যতা (Dehydration) দেখা দেয়- প্রকটভাবে। সেজন্য প্রচুর পরিমাণে পানি সহ যে কোন পানীয় খাওয়া যেতে পারে। গরম যে কোন পানীয় (অত্যাধিক গরম নয়) যেমন : হালকা গরম চা, চকোলেট পানীয়, কুসুম গরম পানি সাথে মধু, এমন কি ঠান্ডা পানীয় যথা মিল্কসেক (Milk shake) খাওয়া যায়। কোমল পানীয়র মধ্যে আদা পানি (Ginger ale) এসময় উপকারে হয়
তবে কোন এসিড জাতীয় পানি না খাওয়া ভাল : কোক, স্প্রাইট খাওয়া যাবে না। এসিড জাতীয় পানি গলায়- ইনফেকশনে উত্তেজক হিসাবে কাজ করে। এর পাশাপাশি নরম খাবার যথা জাউ ভাত, যে কোন স্যুপ এসময় অনেক উপকার দেয়।
খাওয়া-দাওয়ার পাশাপাশি ঃ- এক কাপ কুসুম গরম পানির সাথে ১/৪ চা চামচ লবন মিশিয়ে গার্গল করলে খুব ভালো ফল পাওয়া যায়। দিনে অন্ততপক্ষে ৩/৪ বার করা উচিত। সাথে প্রচুর বিশ্রাম নিতে হবে।
টনসিলাইটিস হলে বেশি বেশি তরল খাবার ও গরম পানীয় পান করতে হবে। শিশুদের গরম স্যুপ, জাউ বা নরম করে রান্না করা খাবার দিলে ভালো। গলায় ঠান্ডা লাগানো যাবে না।
Tonsillectomy অপারেশনের রোগীর মধ্যে শতকরা ২০ ভাগ রোগী পরোক্ষভাবে সিগারেটের ধোঁয়া হতে আক্রান্ত হয়। তাই ঘরের মধ্যে বাচ্চার সামনে সিগারেট খাওয়া হতে দূরে থাকুন তাহলেই আপনি ও আপনার বাচ্চা দু’জনেই এই রোগের হাত হতে দূরে থাকতে পারবেন।
বিড়াল বা ঐ জাতীয় পোষা প্রাণী ভাইরাস জাতীয় পুরাতন টন্সিলাইটসের বেলায় কিছুটা পরোক্ষ ভাবে প্রভাবিত করে বিধায় শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে যোগাযোগের দূরত্ব বজায় রাখবেন –

Post a Comment

Previous Post Next Post